প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাফল্যগাঁথা

সফলতার গল্প-১

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে নরসুন্দর সম্প্রদায়ের বদলে যাওয়ার গল্প

বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জে শত শত সাফল্যের গল্পের একটি হল সেলুন কল্যাণ সঞ্চয় সমিতি গঠন। বাজিতপুরে সেলুন পেশার সাথে জড়িত ১০০ জন লোক এ প্রকল্প থেকে অনুপ্রানিত হয়ে সঞ্চয় সমিতি গঠন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের মাসিক আয় ছিল ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা। কিন্তু তাদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা ছিলনা। প্রশিক্ষণ শেষে তারা প্রত্যেকে বুঝতে পারেন তাদের সঞ্চয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের সামষ্টিক স্বার্থ রক্ষায় একটি পেশাভিত্তিক সংগঠনও দরকার।

তাছাড়া বাজিতপুরেই বিভিন্ন ইউনিয়নে চুল কাটার পারিশ্রমিক বিভিন্ন রকম। প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত অনুদান দিয়ে কর্ম পরিবেশের উন্নয়ন হওয়ায় পারিশ্রমিক সামাজিক পুঁজি গঠন তথা পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা,সহমর্মিতাও সৃষ্টি হয়। ১০০ জন সেলুন/ শীল সম্প্রদায়ের লোকজন বৃদ্ধি করে গড়ে তুলেন বাজিতপুর সেলুন কল্যাণ সঞ্চয় সমিতি। প্রত্যেকে প্রতিদিন ১০ টাকা করে সঞ্চয় প্রদান করবেন। বর্তমানে উক্ত সমিতিতে ৩,৫৮,০০০/- (তিন লক্ষ আটান্ন হাজার) টাকা জমা হয়েছে।

কঠোর নিয়মের মধ্য দিয়ে পরিচালিত উক্ত সমিতির মূল উদ্দেশ্য সমূহ:

১. গুরুতর বিপদগ্রস্থ কোন সদস্যের পরিবারকে যথা নিয়মে সহায়তা করা বা পাশে দাড়ানো।

২. সেবার মান বৃদ্ধি করে পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করা এবং একই মানের বজায় রাখা।

৩. নিজেদের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে পারস্পারিক আস্থা, বিশ্বাস , মর্যাদা, শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করে নিজেদের জীবন মানের উন্নয়ন।

সফলতার গল্প-২

প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আদি পেশায় স্বাবলম্বী লালমনিরহাটের সঞ্জয় কুমার

বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জে শত শত সাফল্যের গল্পের একটি হল সেলুন কল্যাণ সঞ্চয় সমিতি গঠন। বাজিতপুরে সেলুন পেশার সাথে জড়িত ১০০ জন লোক এ প্রকল্প থেকে অনুপ্রানিত হয়ে সঞ্চয় সমিতি গঠন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের মাসিক আয় ছিল ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা। কিন্তু তাদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা ছিলনা। প্রশিক্ষণ শেষে তারা প্রত্যেকে বুঝতে পারেন তাদের সঞ্চয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের সামষ্টিক স্বার্থ রক্ষায় একটি পেশাভিত্তিক সংগঠনও দরকার।

সেলুনের কাজটিকে মূল পেশা হিসেবে রেখে বর্তমানে সে কম্পিউটারের অপারেশনাল সকল কাজ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার রিলেটেড যেকোনো সমস্যা সমাধান করা, বিদ্যুৎ ও ডিস এন্টিনার সংযোগ দেয়া ও যেকোনো সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করেছে সে। তার কাছে প্রতিটি সময়ই মূল্যবান। সময়ের চেয়ে এগিয়ে চলা এ ছেলেটি এই বয়সেই একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। একসময় অন্যের দোকানে কাজ করা ছোট্ট সঞ্জয় এখন তার নিজের সেলুন দোকানে কর্মচারী রেখেছে ০২(দুই) জন। এছাড়া তার কম্পিউটার সার্ভিসিং এর দোকান এবং ইলেকট্রনিক্স এর দোকান রয়েছে।

মানুষের জন্য কাজ করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সে ইতোমধ্যেই নিজের কম্পিউটারের দোকানের ছোট্ট পরিসরে এলাকার অনেককে বিনা খরচে কম্পিউটারের বেসিক ট্রেইনিং দিয়েছে। ছোট্ট বয়সেই পরিবারের হাল ধরা সঞ্জয় নিজ এলাকার বাইরে পাশ্ববর্তী উপজেলাতেও তার কাজের জন্য সুপরিচিত এবং একজন সৎ ছেলে হিসেবে স্বীকৃত। ২০২০ সালের আসন্ন এইচ,এস,সি পরীক্ষায় একজন পরীক্ষার্থী সঞ্জয় পাটগ্রাম উপজেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একজন অনুসরণীয় ও সক্রিয় সদস্য। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট হতে সে ২০১৯-২০ অর্থবছরের কোটায় বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ০৩ (তিন) দিনের সফ্‌ট স্কিলস্‌ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।

সফলতার গল্প-৩

দিনমজুর থেকে উদ্যোক্তা

বোটন রবিদাস। পিতা: ভিখারী রবিদাস, মাতা: লালমুখী রবিদাস। বর্তমান ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর ঘণেশ্যাম, ডাক: তুষভান্ডার, উপজেলা: কালীগঞ্জ, জেলা: লালমনিরহাট। তিন ভাই ও চার বোন, পিতা মাতাসহ মোট ৬ জনের অতিকষ্টের সংসার ছিলো বোটন রবিদাসের। লেখাপড়া করেছে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটতো বোটনদের। তাই ছোটবেলাতেই বাবার মাধ্যমেই জুতা শেলাইয়ের কাজে হাতে খড়ি হয় বোটন বরিদাসের। প্রথমে স্থানীয় বাজারেই ব্যবসা শুরু করেন। জুতা শেলাই,জুতা কালি করে দৈনিক ১০০-২০০ টাকা আয় হতো; যা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য। বিভিন্ন ঋণ প্রদানকারী সংস্থার কাছ থেকে অভাবে বাধ্য হয়েই ঋণ গ্রহণ করেন বোটন রবিদাস। দিন দিন ঋণের পরিমান বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক পর্যায়ে বেশি আয়ের আশায় পাড়ি জমান ঢাকার উদ্দেশ্যে। দীর্ঘদিন কষ্ট করার পর একজন জুতা প্রস্তুতকারীর কাছ থেকে জুতা তৈরি করতে শিখেন এবং সেখানেই দিনমজুর হিসেবে কাজ করতে থাকেন। এমন সময় তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ হতে লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন “ বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন ৩ দিনব্যাপী সফ্ট স্কিলস প্রশিক্ষণ ” সম্পর্কে জানতে পারেন।

প্রশিক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করেন। তারপর ৩ দিনব্যাপী সফ্ট স্কিলস প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং এককালীন অনুদান হিসেবে ১৮,০০০/= (আঠারো হাজার) টাকা পান। সেই ১৮,০০০/= টাকাসহ সামান্য ব্যক্তিগত পুঁজি বিনিয়োগ করে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা বাজারে ভাড়া করা ঘরে মাত্র ২টি ছোট মেশিন দিয়ে শুরু করেন চামড়ার জুতা ও স্যান্ডেল তৈরির কারখানা। এই কারখানা পাল্টে দেয় বোটন রবিদাসের জীবন। ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে তার কারখানা। বর্তমানে এই কারখানায় ৪ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে। যাবতীয় খরচ মিটিয়ে বোটনের দৈনিক আয় ৩০০০/= থেকে ৪০০০/=। বোটন রবিদাস এখন আগের তুলনায় অনেক স্বচ্ছল। সংসারের অভাব আর আগের মতো নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করছে। বোটনের স্বপ্ন সে একদিন সফল ব্যবসায়ী হবে। বোটন জানান, সফ্ট স্কিল্স প্রশিক্ষণ এবং এককালীন অনুদানের ১৮,০০০ টাকা তার জীবনের এক অনন্য প্রাপ্তি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি ব্যবসা, পুঁজি বিনিয়োগ,ক্রেতা বিক্রেতা সম্পর্ক, বিপনন প্রভৃতি সম্পর্কে জানতে পেরেছেনু। ফার্স্ট এইড বক্স এর ব্যবহার শিখেছেন। বোটন রবিদাস উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, কালীগঞ্জ এর প্রতি এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। বোটন রবিদাস সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

সফলতার গল্প-৪

স্বপ্নার স্বপ্ন পূরণ; বাঁশ-বেত পণ্য প্রস্তুত করে এক সফল নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা স্বপ্না আক্তার

ছবির মতো সুন্দর গ্রাম চরপলাশ, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। অবহেলিত গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে উঠা সহজ সরল মানুষগুলি তাদের ভাগ্য উন্নয়নে দিন রাত প্রাণান্তর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। জীবন পরিক্রমায় রয়েছে শত সীমাবদ্ধতা, রয়েছে শত স্বপ্ন। রয়েছে স্বপ্না আক্তারের মতো অসংখ্য নারী যারা বাঁশ-বেতের বুননে নিজেদের স্বপ্ন বুনে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদের কিছু স্বপ্ন পূরণ হয় আর কিছু হয়না। তবুও সেই স্বপ্নের পথে হাটছেন তারা। স্বপ্না আক্তার তাদেরই একজন। অষ্টম শ্রেণী পাশ করেছেন স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে। অভাবের সংসার, পিতা রজব আলী ঢাকায় এক হোটেলে কর্মচারি হিসাবে কাজ করেন। স্বপ্নার মা শাহানারা বেগম একজন গৃহিনী। এক ভাই এক বোনের মধ্যে স্বপ্না বড়। চার জনের এক ছোট্ট সংসারেও অভাবের তাড়নায় তার আর পড়াশোনা সামনে এগোয়নি। ছোট থেকেই বাঁশ বেতের কাজের প্রতি তার বেশ আগ্রহ। কিছুটা শিক্ষিত হওয়ার কারণে জীবন সম্পর্কে সচেতন স্বপ্না। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের প্রান্তিরক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জরিপ কার্য পরিচালনার সময় এই জরিপে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার গুরুত্ব তিনি অনুধাবন করতে পারেন। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপে তিনি শুধু নিজেকেই অন্তর্ভূক্ত করেনি, অন্তর্ভূক্ত হতে উৎসসাহ যুগিয়েছেন আরো অনেককে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ওস্তাদ-সাগরেদ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ওস্তাদ ফুলেনা খাতুনের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বাঁশ বেত পণ্যের দক্ষ প্রস্তুতকারক হয়ে উঠেন। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ হতে তিনি জানতে পারেন, কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়, কিভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে হয়, কিভাবে ব্যবসার কর্মপরিবেশ উন্নত করতে হয়, কিভাবে ব্যবসার রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয় ইত্যাদি।

প্রশিক্ষণ ভাতা হিসাবে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি কিছু বাঁশ বেত এবং সরঞ্জাম ক্রয় করে তার ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে শুরু করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে পুঁজি সংকট সব চেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত এককালীন ১৮০০০/- নগদ অনুদান সহায়তা তার পুঁজির সংকট সমাধান করে এবং সফল উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে ওঠতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।তিনি তার ব্যবসার কাজে সহযোগীতার জন্য দুইজন সহকারী রেখেছেন, যারা তার কাছ থেকে বাঁশ-বেতের পণ্য প্রস্তুত করার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তার মাও তার এই কাজে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করছে। বাঁশ-বেত দিয়ে তার প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরণের পণ্যের মধ্যে রয়েছে চালনি, খাচা, ডালা, পাটি, জায়নামাজ, পুড়া, মোড়া, টুপড়া, কুলা, বেড়া, কবুতর পোষার খাচা এমনকি মাছ ধরার চাই প্রভৃতি।হোটেল কর্মচারি পিতার পাশাপাশি তিনি এখন পরিবারের অনেক খরচই বহন করতে পারেন। ফলে এখন আর তার পরিবারে খাবারের অভাব নেই, ছোট ভাইয়ের পড়শুনার খরচ যোগাতেও তাদের আর অসুবিধা হচ্ছে না। বর্তমানে তার তৈরি বাঁশ-বেতের পণ্য এলাকায় ব্যাপক চাহিদার সৃষ্টি করেছে। শুধু এলাকায় নয় পার্শ্ববর্তী এলাকায়ও তার তৈরি পণ্যের চাহিদা তৈরি হচ্ছে। এখন তার বেশ ব্যস্ত সময় পার হচ্ছে এই সকল পণ্য প্রস্তুত করতে।স্বপ্না আক্তার বলেন, প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নে এই প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক। প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তার ব্যবসাকে ঠিকমত পরিচালনা করতে শিখেছেন এবং ব্যবসাকে সম্প্রসারণও করতে পারছেন। তিনি তার পরিবারের আর্থিক অবদান রাখতে পারছেন। সুষম খাদ্য, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি যা শিখেছেন তা তার পারিবারিক জীবনেও কাজে লাগাতে পারছেন। পরিবারে তার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের ফলে এলাকায় তার এই পেশার একটা সামাজিক সমর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার ব্যবসার মাধ্যমে আরও কয়েকজনের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।তিনি মনে করেন যে, প্রকল্প হতে প্রাপ্ত অনুদান তাদের মত প্রান্তিক পেশাজীবীদের জন্য প্রাথমিক পুঁজির উৎস। এই প্রকল্প সম্প্রসারিত হলে তার মতো হাজারো নারীর স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিবে। গ্রামবাংলার প্রান্তিক অবলা নারী আর অবলা থাকবে না। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত হয়ে নারীরা প্রান্তিক পেশাজীবী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাতে পরিণত হবে। স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজে প্রান্তিক নারীরাও অবদান রাখতে পারবে। সবশেষে তিনি প্রকল্পের সার্বিক উন্নতি কামনা করে প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের উদ্যোগী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।